Melody-of-Prayers
হলি রোজারি চার্চ, তেজগাঁও

Melody of Prayer - হলি রোজারি চার্চ, তেজগাঁও

যুক্ত করেছেন: bless
সময়: 11 May 2026, 05:49 PM
ঢাকার তেজগাঁও হলি রোজারি চার্চ (Holy Rosary Church) বাংলাদেশে পর্তুগিজ ঔপনিবেশিক আমলের অন্যতম প্রাচীন এবং গুরুত্বপূর্ণ রোমান ক্যাথলিক গির্জা। ১৬৭৭ সালে তেজকুনিপাড়ায় নির্মিত এই গির্জাটি স্থানীয়ভাবে 'জপমালা রাণীর গির্জা' নামেও পরিচিত। এটি ঢাকার অন্যতম পুরনো টিকে থাকা খ্রিস্টান স্থাপনা এবং বর্তমানে একটি সক্রিয় প্যারিশ.তেজগাঁও হলি রোজারি চার্চের ইতিহাস (বাংলায়):প্রতিষ্ঠা ও সময়কাল: ঐতিহাসিকদের মতে, পর্তুগিজ অগাস্টিনিয়ান মিশনারিরা ১৬৭৭ সালে এই গির্জাটি নির্মাণ করেন. তবে জেমস টেলরের মতে এটি ১৬৭৭ সালের পূর্বেই প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল.ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: মোগল আমলে পর্তুগিজরা ঢাকায় বাণিজ্য করতে এসে এই এলাকা ও আশেপাশের এলাকায় বসতি স্থাপন করে। ১৬৩২ সালে মোগলদের সাথে পর্তুগিজদের সংঘর্ষের পর অনেক পর্তুগিজ খ্রিস্টান ঢাকায় আশ্রয় নেয় এবং স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করে.অবস্থান: এটি বর্তমানে তেজগাঁও ফার্মগেট এলাকার তেজকুনিপাড়ায়, হলি ক্রস বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের পূর্বে অবস্থিত.স্থাপত্যশৈলী: চার্চটি ঔপনিবেশিক স্থাপত্যের একটি চমৎকার উদাহরণ। এর সাদা এবং নীল রঙের বাইরের দৃশ্যটি অত্যন্ত আকর্ষণীয়। এটি অনেকবার সংস্কার করা হলেও মূল কাঠামোটি পুরনো দিনের কথা স্মরণ করায়.জপমালা রাণীর গির্জা: এই চার্চটি 'জপমালা রাণী' বা 'Japmala Rani' (Lady of Rosary) এর নামে উৎসর্গ করা হয়েছে, তাই স্থানীয়রা একে জপমালা রাণীর গির্জা বলে.বর্তমান গুরুত্ব: বর্তমানে এটি বাংলাদেশের বৃহত্তম ক্যাথলিক প্যারিশগুলোর মধ্যে একটি। প্রতি রবিবার এবং বিশেষ ধর্মীয় দিনে হাজার হাজার উপাসক এখানে প্রার্থনা করেন.কবরস্থান: এই চার্চের প্রাঙ্গণে একটি প্রাচীন কবরস্থান রয়েছে, যা পুরনো ঢাকার খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের ইতিহাসের সাক্ষী বহন করে.হলি রোজারি চার্চ শুধুমাত্র একটি উপাসনালয় নয়, বরং এটি ঢাকার খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের শত বছরের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির স্মারক.
ফিরে যান
Melody-of-Prayer