ফৈলজানা ধর্মপল্লীতে পর্ব দিবস ও হস্তার্পণ সংস্কার: বিশ্বাসের উন্মেষে শুভদিন
আজ ফৈলজানা ধর্মপল্লীতে গভীর ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য, আনন্দ ও আধ্যাত্মিক উচ্ছ্বাসের মধ্য দিয়ে পালিত হলো ধর্মপল্লীর প্রতিপালক সাধু ফ্রান্সিস জেভিয়ার এর পর্ব দিবস। বছরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই দিনে ভোর থেকেই ভক্তসমাজের আগমন শুরু হয়। পবিত্র উৎসব উপলক্ষে আয়োজন করা হয় বিশেষ প্রার্থনা, শোভাযাত্রা, স্তোত্রগান ও ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের।
পর্ব দিবসের প্রধান আকর্ষণ ছিল হস্তার্পণ সংস্কার, যেখানে আজ মোট ৩৪ জন ভক্তকে পবিত্র এই সংস্কার প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানের প্রধান পৌরহিত্য করেন রাজশাহী ধর্মপ্রদেশের ধর্মপাল বিশপ জের্ভাস রোজারিও ।তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন ধর্মপল্লীর পাল-পারোহিতসহ ৪ জন যাজক, যারা অনুষ্ঠানকে সফল করতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন।
পর্ব দিবস উপলক্ষে প্রার্থনায় অংশ নেন প্রায় শতাধিক ভক্ত, যারা নিজেদের পরিবার, সমাজ ও বিশ্বশান্তির জন্য বিশেষ প্রার্থনা নিবেদন করেন। ভক্তদের অংশগ্রহণ ও ধর্মীয় উৎসাহে পুরো ধর্মপল্লী প্রাঙ্গণে এক শান্তিময়, আনন্দমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়।
গতকাল উপ-ধর্মপল্লী চাচাকিয়ায় আরও ৭ জনকে হস্তার্পণ সংস্কার প্রদান করা হয়েছে। দুই দিনের এই আধ্যাত্মিক আয়োজন মোট ৪১ জন বিশ্বাসীকে পবিত্র হস্তার্পণ অনুগ্রহ লাভের সুযোগ এনে দেয়।
বিশপ জের্ভাস রোজারিও উপদেশে বলেন-
“হস্তার্পণ সংস্কার শুধু একটি ধর্মীয় আচার নয়, এটি আমাদের বিশ্বাসের পরিপক্বতার প্রকাশ। আজ তোমরা পবিত্র আত্মার বিশেষ অনুগ্রহ গ্রহণ করলে, যা তোমাদের জীবনে সাহস, প্রজ্ঞা, ভালোবাসা ও সত্যের আলো ছড়িয়ে দেবে। এই বিশ্বে আমরা অনেক প্রতিকূলতার মুখোমুখি হই, কিন্তু খ্রিস্টানরা প্রতিকূলতার মাঝেও আলো ছড়ায়, ক্ষমা করে, ভালোবাসা দেয় এবং অন্যের পাশে দাঁড়ায় , এটাই আমাদের খ্রিস্টীয় পরিচয়।”
তিনি আরও বলেন-
“এই পর্ব দিবস আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে, আমরা সবাই ধর্মপল্লীর সদস্য হিসেবে একে অপরের জন্য দায়িত্ববান। পরিবারে, সমাজে ও ধর্মপল্লীতে সক্রিয় ভূমিকা রাখা এবং ঈশ্বর প্রদত্ত প্রতিভা দিয়ে ধর্মপল্লীর সেবা করা আমাদের সবার কর্তব্য।”
বিশপ হস্তার্পণপ্রাপ্তদের উদ্দেশ্যে বিশেষ আশীর্বাদ প্রার্থনা করেন যাতে তারা বিশ্বাসে দৃঢ় হয়ে যিশুর সাক্ষ্য বহন করতে পারেন।
পুরো পরিবেশ ছিল উৎসবমুখর, অথচ শান্ত ও আধ্যাত্মিকতার ছোঁয়ায় ভরপুর।
শেষে ধন্যবাদ জ্ঞাপন, প্রার্থনা এবং বিশপের আশীর্বাদে অনুষ্ঠানের পরিসমাপ্তি ঘটে।
পর্ব দিবসের প্রধান আকর্ষণ ছিল হস্তার্পণ সংস্কার, যেখানে আজ মোট ৩৪ জন ভক্তকে পবিত্র এই সংস্কার প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানের প্রধান পৌরহিত্য করেন রাজশাহী ধর্মপ্রদেশের ধর্মপাল বিশপ জের্ভাস রোজারিও ।তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন ধর্মপল্লীর পাল-পারোহিতসহ ৪ জন যাজক, যারা অনুষ্ঠানকে সফল করতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন।
পর্ব দিবস উপলক্ষে প্রার্থনায় অংশ নেন প্রায় শতাধিক ভক্ত, যারা নিজেদের পরিবার, সমাজ ও বিশ্বশান্তির জন্য বিশেষ প্রার্থনা নিবেদন করেন। ভক্তদের অংশগ্রহণ ও ধর্মীয় উৎসাহে পুরো ধর্মপল্লী প্রাঙ্গণে এক শান্তিময়, আনন্দমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়।
গতকাল উপ-ধর্মপল্লী চাচাকিয়ায় আরও ৭ জনকে হস্তার্পণ সংস্কার প্রদান করা হয়েছে। দুই দিনের এই আধ্যাত্মিক আয়োজন মোট ৪১ জন বিশ্বাসীকে পবিত্র হস্তার্পণ অনুগ্রহ লাভের সুযোগ এনে দেয়।
বিশপ জের্ভাস রোজারিও উপদেশে বলেন-
“হস্তার্পণ সংস্কার শুধু একটি ধর্মীয় আচার নয়, এটি আমাদের বিশ্বাসের পরিপক্বতার প্রকাশ। আজ তোমরা পবিত্র আত্মার বিশেষ অনুগ্রহ গ্রহণ করলে, যা তোমাদের জীবনে সাহস, প্রজ্ঞা, ভালোবাসা ও সত্যের আলো ছড়িয়ে দেবে। এই বিশ্বে আমরা অনেক প্রতিকূলতার মুখোমুখি হই, কিন্তু খ্রিস্টানরা প্রতিকূলতার মাঝেও আলো ছড়ায়, ক্ষমা করে, ভালোবাসা দেয় এবং অন্যের পাশে দাঁড়ায় , এটাই আমাদের খ্রিস্টীয় পরিচয়।”
তিনি আরও বলেন-
“এই পর্ব দিবস আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে, আমরা সবাই ধর্মপল্লীর সদস্য হিসেবে একে অপরের জন্য দায়িত্ববান। পরিবারে, সমাজে ও ধর্মপল্লীতে সক্রিয় ভূমিকা রাখা এবং ঈশ্বর প্রদত্ত প্রতিভা দিয়ে ধর্মপল্লীর সেবা করা আমাদের সবার কর্তব্য।”
বিশপ হস্তার্পণপ্রাপ্তদের উদ্দেশ্যে বিশেষ আশীর্বাদ প্রার্থনা করেন যাতে তারা বিশ্বাসে দৃঢ় হয়ে যিশুর সাক্ষ্য বহন করতে পারেন।
পুরো পরিবেশ ছিল উৎসবমুখর, অথচ শান্ত ও আধ্যাত্মিকতার ছোঁয়ায় ভরপুর।
শেষে ধন্যবাদ জ্ঞাপন, প্রার্থনা এবং বিশপের আশীর্বাদে অনুষ্ঠানের পরিসমাপ্তি ঘটে।